রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টারঃ
মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর ইউনিয়নের মৌজাঃ কেয়াটখালী, খতিয়ান নং ৩২৮, ৫৪৮, ৫৫০, ৮০৫, ৮০৮। এই ৫টি খতিয়ানে সরকারি সম্পত্তি রয়েছে। আর এই সম্পত্তির উপর বিশাল বড় গেইট ও পার্ক নির্মাণ করেছে পুষ্পধারা কোম্পানি।

শ্রীনগরে সর্বপ্রথম অবৈধভাবে আবাসন প্রকল্পের ব্যবসা শুরু করে স্বপ্নধরা নামক একটি প্রতিষ্ঠান। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা তোফায়েল আহমেদের ভাগ্নে পরিচয় দিয়ে মাসুদ নামক এক ব্যক্তি স্থানীয় আওয়ামী লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কিছু নেতাদেরকে ম্যানেজ করে জমজমাট এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
এখন আবার বিএনপির কিছু নেতা যুক্ত রয়েছে বলে জানা যায় ।সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে এ সকল ব্যক্তিরা ভোল পাল্টিয়ে হয়তো বা অন্য কোন রথি মহারথীর ছত্রছায়ায় অবৈধ এ ব্যবসা চালিয়ে যাবে।প্রতারণামূলক এই ব্যবসায় রাতারাতি কোটি কোটি টাকা কামানো যায় বিধায় গত ১৫/১৬ বছরে শ্রীনগরে বিভিন্ন এলাকার রাস্তার দু’ধারে গড়ে ওঠে অর্ধশত আবাসন প্রকল্প।
এ সকল প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে পুষ্পধারা, নতুন ধারা, সাউথ টাউন, নর্থ সাউথ গ্রুপ, পুষ্প সিটি, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ, আল মুসলিম গ্রুপ, ধারিত্রী, ফেরদৌস খান কোম্পানি, চিটার গ্রুপ, বাটপার গ্রুপ, খাই খাই গ্রুপসহ বাহাড়ি নামে কত গ্রুপ।
ভুইফোর এ কোম্পানিগুলো আংশিক কিছু জমি কিনে ঢাকা শহরে একাধিক অফিস ভাড়া নিয়ে শুরু করে প্রতারণার নতুন ফাদ যাকে তারা নিজেদের ব্যবসা বলে চালিয়ে আসছে।
অভিযোগে আরো যে এ সকল কোম্পানি বেশিরভাগ জমি ভাড়া নিয়ে রং-বে-রঙের সাইনবোর্ড লাগিয়ে ক্রেতা সাধারনের দৃষ্টি আকৃষ্ট করে আসছে এমনকি পরবর্তীতে কোম্পানীর নিজস্ব বা বহিরাগত দালাল চক্রের মাধ্যমে রাস্তার সামনের জমি দেখিয়ে বিলের মাঝখানের সরকারি জমি গছিয়ে দেয় যা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।স্থানীয় ভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে আরো জানা যায় যে জমি ক্রেতাদের নিকট এই সকল খাস সম্পত্তি বায়নার মাধ্যমে শতকের বেশি প্লট বিক্রি করে আসছে এ সকল কোম্পানি।
ইতিমধ্যে কোম্পানির খপ্পড়ে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে অনেক ব্যক্তি। শ্রীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আফরোজা হক তানিয়ার নিকট ফোনালাপের মাধ্যমে এই সকল চক্রের অনৈতিকভাবে সরকারী খাস সম্পত্তি কীভাবে বিক্রি করে সেটা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থ্যা নিবেন বলে মতামত প্রকাশ করেন।
Leave a Reply