শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১১:১২ অপরাহ্ন
ক্রাইম রিপোর্টারঃ মোঃ জামাল উদ্দিন রনি
গত ১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালে ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে অবৈধ বাজার উচ্ছেদ এর পাশাপাশি অঞ্চল-৫ এর অধীনে সকল ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স আছে কিনা তা পর্যবেক্ষণে ম্যাজিস্ট্রেট সহ একটি টিম মাঠে নামেন।উক্ত টিমের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ৫০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ মাসুম মোল্লা,৫১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র কাজী হাবিবুর রহমান হাবু,৫২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ রুহুল আমিন, ৫০,৫১,৫২ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর নাজমা বেগম সহ অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও মোঃ ওয়াহেদুল্লাহ এবং আরো অনেকেই।পরবর্তীতে দয়াগঞ্জ হতে দোলাইপাড় যাওয়ার পথে জোসনা হোটেল ও সোনালী হোটেলের গোল চত্তর পর্যন্ত দিনে দিনে বেড়ে উঠা অবৈধ বাজার উচ্ছেদ করেন,পাশাপাশি উক্ত ব্যাক্তিদ্বইয়দের ভবিষ্যতে এই ভাবে অবৈধ বাজার বসাতে বারণ করে দিয়ে হুশিয়ার করেন।
এমনকি উক্ত অবৈধ বাজার উচ্ছেদ করে দিয়ে চলে যাওয়ার পর পরিই পুনরায় উক্ত স্থানে আবার আগের মত বাজারের সয়লাব গড়ে উঠে।এমতাবস্থায় উক্ত স্থানে উচ্ছেদকৃত রাস্তার উপর অবৈধ বাজার দোকানীদের সাথে উল্লেখিত বিষয়ে কথা বললে তারা জানান যে,এই সকল উচ্ছেদের বিষয়কে তারা কোনো প্রকার তোয়াক্কা করেন না,এমনকি এও বলেন যে, ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন কতদিন এভাবে উচ্ছেদ করবেন।যতদিন করবেন ততদিন তারা পুনরায় তাদের মতো করে আবার উক্ত রাস্তার উপর দোকান বসাবেন।
অথচ উচ্ছেদের পর ভুক্তভোগী উক্ত এলাকাবাসী অনেকটা খুশি হলেও পরে আবার দুঃখ প্রকাশ করে বলেন যে,যে দেশে সরকারী আইনকে অমান্য করে,সরকারী নির্দেশ অমান্য করে,সরকারী রাস্তার উপর এরকম অবৈধ বাজার বসিয়ে মানুষদের দৈনন্দিন চলাফারার পথে বাধার সৃষ্টি করে আসছেন তাদের কাওকেই কি কখনোই উচ্ছেদ করা যাবে না,তাদের’কে(অবৈধ বাজার দোকানীদের ) কখনোই কি আইনের আওতায় আনা হবে না বলে তাদের (ভুক্তভোগী উক্ত এলাকাবাসী) মনের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
যদিও ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের এই অবৈধ বাজার উচ্ছেদ উদ্যোগকে ভুক্তভোগী উক্ত এলাকাবাসী সাধুবাদ ও স্বাগত জানিয়েছেন এবং পাশাপাশি অবৈধ বাজার দোকানীদের প্রতি ধিক্কার ও ঘৃণা প্রকাশ করেছেন।
তাছাড়া উক্ত অবৈধ বাজার দোকানীদের উক্ত রাস্তা দখল করে জোর করে বসার ব্যপারে উক্ত এলাকার কিছু লোকদের সাথে (নাম জানাতে অনিচ্ছুক) বিশদ জানতে গেলে তাদের কাছ থেকে অনেক অজানা কথা বেড়িয়ে আসে,যা নাকি নিতান্তই গর্হিত কাজ।
তাদের ভাষ্যমতে,উক্ত অবৈধ বাজার দোকানদারদের উক্ত মেইন রাস্তায় দোকান বসানোর জন্য স্থানীয় কিছু লোকদের প্রতিদিন কিছু টাকা দিতে হয়,যা নাকি ২০ টাকা হতে শুরু করে ৫০ বা ১০০ টাকা পর্যন্ত যায়।এমতাবস্থায় এরকম চললে কখনোই হয়তোবা এই রাস্তা দখল করে অবৈধ বাজার বসানো বন্দ হবে না বলে ভুক্তভোগী উক্ত এলাকাবাসীরা মনে করেন।তদ্বপরি এই অসহায়ত্বের ক্ষোভ প্রকাশ করে দুই বার অভিযোগ করেও কোনো স্থায়ী সমাধান ভুক্তভোগীরা পাননি।
Leave a Reply