সোমবার, ১৭ Jun ২০২৪, ০৯:৩১ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ

বিজ্ঞাপন

পদ্মা সেতুতে এটাই প্রথম পিচ ঢালাইয়ের কাজ

পদ্মা সেতুতে এটাই প্রথম পিচ ঢালাইয়ের কাজ

 

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ ইমরুল হাসান

পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের ৪১ নম্বর স্প্যান থেকে ৩৭ নম্বর স্প্যান পর্যন্ত রোডওয়ে স্ল্যাব, প্যারাপেট ওয়াল এবং রোড ডিভাইডার বসানো হয়েছে। এই সড়কটুকুতে বাতি ছাড়া প্রায় সব কাজই শেষ।

মঙ্গলবার সেতুর ৪০ নম্বর স্প্যানের উপরের সড়কে পিচ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। এর আগে এই স্প্যানের উপরের সড়কে ১০ মিটার প্রস্থ এবং ৬০ মিটার দৈর্ঘ্যের ওয়াটার প্রুফ মেমব্রেন বিছানো হয়েছিল। যেটি পানি নিরোধক একটি প্রলেপ। তার উপরের পিচ ঢালাই করা হচ্ছে।
পিচ ঢালাইয়ের কাজ করার জন্য রোলার, টায়ার রোলার, অ্যাসফাল্ট ফিনিশার ইত্যাদি যন্ত্রযান দিয়ে সেখানে কাজ চলছে।

পিচ ঢালাইয়ের কাজ করার আগে ৪০ নম্বর স্প্যানের উপর কমলা রঙের মেমব্রেন বিছানো হয়। মেমব্রেনের পুরুত্ব ৩ মিলিমিটার। এর উপরে ২ মিলিমিটারের বিটুমিনের স্তর দেয়া হচ্ছে। তার উপরে দেয়া হবে পিচ ঢালাই।

পদ্মা সেতুতে এটাই প্রথম পিচ ঢালাইয়ের কাজ। কাজটি তদারকির জন্য পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকৌশলীরা মঙ্গলবার থেকে সেখানে উপস্থিত আছেন।

এদিকে পদ্মা সেতুতে রোড স্ল্যাব বসানোর কাজ শেষের দিকে। শেষ ধাপে দুইটি স্প্যানের উপর রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো বাকি আছে। বর্তমানে ১০ নম্বর স্প্যানের উপর রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো চলছে। এই স্প্যানের ৮০ শতাংশেরও বেশি জায়গায় রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো হয়েছে। এই স্প্যানে এই পর্যন্ত ৩৬টি স্ল্যাব বসেছে। এরপর ১১ ও ১২ নম্বর স্প্যানে স্ল্যাব বসানো সম্পূর্ণ হবে সেতুর রোডওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ।

এদিকে গত মাসেই শেষ হয়েছে পদ্মা সেতুর রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ।

ত্বরিত গতিতে পদ্মা সেতুর কাজ শেষ করার জন্য বিভিন্ন ধাপে কাজ চলছে। এই কাজের বড় একটা অংশ হচ্ছে রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো, সেতুর দুই পাশে সেতুতে ওঠার ও নামার পথ তৈরি, প্যারাপেট ওয়াল, রোড ডিভাইডার, গ্যাস লাইন স্থাপন, রেল লাইনের জন্য ওয়াক ওয়ে নির্মাণ এবং নদী শাসনের কাজ।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর একে একে ৪২টি পিলারে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ছয় দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছে ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর। একইসঙ্গে চলতে থাকে রোডওয়ে, রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোসহ অন্যান্য কাজ। সেতুর মূল আকৃতি দোতলা।

মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। ২০২২ সালের জুন মাসের মধ্যেই এই সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার কথা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সম্পাদক ও প্রকাশক

No description available.

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ ওমর ফারুক চৌধুরী

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ ইঞ্জিঃ সোহরাব হোসেন শাহেদ

সহঃ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ রিফাত আহম্মেদ

নির্বাহী সম্পাদকঃ মোল্লা মোহাম্মদ হাসান

বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ লস্কর আলী

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ সগির আহম্মেদ

অফিসঃ৪৮/বি, পশ্চিম যাত্রাবাড়ী,ঢাকা-১২০৪।

ওয়েব সাইট-www.bortomanjonojibon.com

নিউজ মেইলঃ newsbortomanjonojibon@gmail.com

যোগাযোগ- ০২-৭৫৪২৩১২

এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs