বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা:
মুন্সীগঞ্জ সদর থানা এলাকায় ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকায় অপহরণ করে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই করার অভিযোগ হয় হলেও থানার দারোগার মনমতো হচ্ছেনা। এমনকি সেই অপহরণের বিষয় যাদের নাম ছিলো তাদের নাম বাদ দিয়ে নতুন করে নাম ঠিকানা দেওয়ার জন্য মুন্সীগঞ্জ সদর থানার এস আই মিজান বাদী পক্ষকে বল প্রয়োগের অভিযোগ উঠছে । গত ২২ই আগস্ট সদর থানার অভিযোগ পত্রের মাধ্যমে জানাযায় সদরের পশ্চিম কাজী কসবা গ্রামের মোঃ তারা মিয়া তাহার ছেলের অপহরণ ও টাকা , মোবাইল ছিনতাই করে নেওয়ার বিষয় অভিযোগ করেন।
সেই অভিাগগের বিষয় তদন্তের দায়িত্ব পায় এস আই মিজানের কাছে। এস আই মিজান গত কয়ে কদিনে তাহার দায়িত্ব পালনে তেমন কোন চমক দেখাতে না পারলেও অভিযোগ পত্র নতুন করে লিখে দিতে বাদী ও ভিক টিমকে তাগিদ দিয়ে থাকে । এমন ও জানাযায় ভিক টিমকে একের পর এক জেরার মাধ্যমে নার্ভাস করে ফেলে। যে ভিক টিম শারিরিক ভাবে মার খেয়ে একে বাড়েই দুর্বল তাকে সহা নুবব তানা দেখিয়ে আসামীদেও বাদ দিতে বাদীকে বার অভিযোগ পত্র নতুন করে তৈরি করতে চাপ সৃষ্টিকরে দারোগা মিজান।
এবিষয় বাদী মোঃ তারা মিয়া নিজে স্বীকার করেন এস আই মিজান তাহার ছেলের অপহরণ কে কেন্দ্র করে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তাহা আসামীদের নাম বদল করে নতুন নাম দিয়ে অভিযোগ করতে। এ বিষয় তারা মিয়ার সাথে দীর্ঘক্ষন আলাপ আলোচনা হয়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন যাহারা ছিলো তাদের নাম ঠিকানা দিয়েছি। তাকে বলা হয় আপনার ছেলের সাথে ঘটনা আপনি নাম ঠিকানা পেলেন কই?
এমন প্রশ্নের উত্তরে তারা মিয়া বলেন যেখানে আমার ছেলেকে পাওয়া যায় সেখান কার লোকজনের মাধ্যমে নাম ঠিকানা সংগ্রহ করি । আবার যাহারা আমাকে সন্ত্রাসীদের নাম ঠিকানা দিয়েছে তাদেরকে এলাকা ছাড়া করে দিয়েছে জানান তারা মিয়া। এমনকি অভিযুক্তরা আমাকে (তারামিয়া) মোবাইলে ও হুমকী দিয়ে আসছে , বাড়ীতে একবার এসেছিলো। দারোগা বিষয়টি জেনে জিডি করতে পরামর্শ দিয়েছে হুমকীর বিষয়ে।
এবিষয় মুন্সগঞ্জ সদর থানার এস আই মিজন, বলেন নতুন তথ্য দিয়ে অভিযোগ করতে বলা হয়েছে। সঠিক তথ্যেও জন্য ভিকটিমকে জেরা করেছি সত্য। তবে বাদীকে সত্য মিথ্যা দিয়েই মামলা করতে হয়। ভিকটিমের বিবরণ অভিযোগ পত্রোনেক ভুল আছে। যখন বলা হয় কি ভুলত খন এস আই মিজান বলেন বাদী বলছে ছেলে ঢাকায় , কিন্তু ভিকটিম ঐ সময় সিপাহীপাড়া ছিলো। এই ধরনের ভুল অংশ কাট ছিট করে নতুন করে অভিযোগপত্র হলে মামলার কাজে সঠিক তদন্ত করতে ভালো হয়। এস আই মিজান বাদীর অভিযোগ মিথ্যা বলে অবহিত করেন সাংবাদিকদের ফোন আলাপে।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তারিকুজ্জামান বলেন, বিষয়টি তদন্তনাধীন রয়েছে। আরো তদন্তের জন্য সময় প্রয়োজন, মেয়েলি বিষয় ঘটনা। আমার অফিসার বাদীকে নতুন অভিযোগ করার জন্য বলেছে। তিনি হঠাৎ করে বলে ফেলেন বাদীকে থানায় এসে নতুন করে অভিযোগ করতে এবং এই থানায় কোন টাকা পয়সা লাগেনা।
মোহাম্মদ জাকির লস্কর
০১৮৪২-৩৬৯৮১২
Leave a Reply